গারো পাহাড়ের পাদদেশে গাবরাখালী পাহাড় পর্যটন কেন্দ্র

ডেইলি মিডিয়া নিউজ ডেক্স: ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে গাবরাখালি গারো হীল পর্যটন কেন্দ্র।  অপার সৌন্দর্যে ঘেঁরা মনোরম পরিবেশে পিকনিক স্পট মন কেড়ে নিয়েছে দর্শনার্থীদের। প্রতিনিয়ত বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা। দুর দুরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে এই গারো হীল পর্যটন কেন্দ্র। চারপাশে সমতল বেষ্টিত পাহাড়, পাখিদের কোলাহল ও দৃষ্টিনন্দন পানির দৃশ্য যেন শীতল করে দেয় মনকে। এই পিকনিক স্পটে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কিছু অংশ দেখা যায় পাহাড়ের উপর থেকে। ভারতের মেঘালয় প্রদেশের পাশ ঘেঁষে পিকনিক স্পটটি তৈরি হওয়ায় ঐ এলাকার অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

সম্ভাবনার নতুন দ্বারপ্রান্তে হালুয়াঘাট উপজেলা। দেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেয়ার জন্যে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ যৌথভাবে হালুয়াঘাট উপজেলায় বাংলাদেশের সিমান্তবর্তী এলাকা ভারতের “গারো পাহাড়” ঘেসা ৫ নং গাজিরভিটা ইউনিয়নের গাবরাগালি গ্রামে ১২৫ একর জায়গায় গড়ে তোলা হবে পর্যটন এলাকা। প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের অসিম লীলাভুমি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার গাবরাখালী ও গলইভাংগা গ্রাম। এই দুটি গ্রামে রয়েছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় নামে খ্যাত এর একাংশ। এর অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দয্য মুগ্ধ করে সকল বয়সের মানুষকে।

১২৫ একর এলাকা জুড়ে ছোট-বড় ৬৭টি পাহাড় নিয়ে গাবড়াখালি পাহাড় গঠিত। পাহাড়গুলো ৭০ফুট থেকে ২০০ফুট উচু হবে (এলাকার মানুষের বর্ণনামতে) ।পাহারগুলোর বিভিন্ন নাম আছে। যেমন- চিতাখলা টিলা, যশুর টিলা, মিতালী টিলা, বাতাসী টিলা ইত্যাদি। মিতালী টিলাতে পিকনিক করার মত জায়গা ঠিক করা আছে। পাহাড়ের মাঝখানে নীচু জমি আছে পানিতে ভরে গেলে লেক মনে হবে। গবরাখালি’র গারো পাহাড়ের উত্তরপ্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমানা।

দুরত্ব কতটুকু : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা থেকে গাবড়াখালি গারো পাহাড়, উত্তর পূর্ব দিকে অবস্থিত দূরত্ব ১৪.৫ কি.মি.। কিভাবে যাওয়া যায় : হালুয়াঘাট থেকে মটর সাইকেল, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশা দিয়ে গাবরাখালি যাওয়া যায়। যেতে সময় লাগবে ৩০/৪০মিনিট ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *